সাকিব আল হাসানের মিরপুর টেস্ট খেলার মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়া নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গন থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রওনা দিলেও, সাকিবের যাত্রা থেমে যায় আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
এর আগে সাকিবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা অনেক বেড়েছে। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে চলমান ছাত্র আন্দোলনে নীরব ভূমিকার জন্যও তিনি সমালোচিত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে সাকিবের একটি ভিডিও প্রকাশ করে তার আবুধাবি টি-টেন লিগের দল বাংলা টাইগার্স। ফেসবুকে দেওয়া সেই ভিডিওতে সাকিব বলেন, ‘আপনি আমাকে পছন্দ করেন বা ঘৃণা করেন, এতে আমার কিছু যায় আসে না। তবে আমার সঙ্গে খেলতে আসবেন না।’
আরেকটি সাক্ষাৎকারে, মিডিয়ার ইতিবাচক ও নেতিবাচক সংবাদের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সাকিব বলেন, ‘মিথ্যা বলবো না, একদমই দেখি না এমন নয়। অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে বা টিভিতে দেখে ফেলি। তবে এগুলো নিয়ে বেশি ভাবি না।’
বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সত্ত্বেও কেন সাকিবকে ঘিরে এত সমালোচনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি সমালোচনা হওয়া উচিত। যে গাছে আম বেশি থাকে, সেই গাছে ইটও বেশি পড়ে। এটাই দুনিয়ার নিয়ম।’
‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ১৪ মিলিয়ন ডলার লুটের প্রমাণ আছে’
যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সজীব ওয়াজেদ জয় একাধিকবার জেলে গেছেন। তার বিরুদ্ধে ১৪ মিলিয়ন ডলার লুটের প্রমাণ আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এসব খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে পারেনি কেউ। এছাড়া শেখ রেহানাকে খুশি করতে দেশ-বিদেশে তাকে বিলাসবহুল বাসা-গাড়ি উপর দিয়েছেন নেতারা। তাদের এসব অপকর্মের প্রমাণ রয়েছে আমাদের কাছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগরের নাইরপুল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
এম এ মালিক বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কের কথা সবাই জানে। গত ৫ আগস্টের পর তিনি আবারও প্রমাণ করলেন। গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তবে সেই ফায়দা নিয়ে ভারত যাতে আমাদের ঠকায় না। ভারতকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশে ঘন ঘন বন্যার জন্য ভারত দায়ী।
মালিক আরও বলেন, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আমরা সময় দিতে চাই। তার নেতৃত্ব দেশে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই আমরা। তারেক রহমান অচিরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে।
মতবিনিময় সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।